চীনে ২০২৫ সালে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি তিন বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো কমতে পারে। পাঁচটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিশ্লেষকরা এমন পূর্বাভাস দিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, আমদানি কমার পেছনে প্রধান ভূমিকা রাখতে পারে শিল্প খাতে দুর্বল চাহিদা এবং অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও পাইপলাইনে প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ বৃদ্ধি। খবর রয়টার্স।
স্পট মার্কেটে চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত এলএনজির দাম ১২ শতাংশ কমেছে। খাতসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বিশ্বের শীর্ষ এলএনজি আমদানিকারক দেশ চীন আমদানি কমালে বৈশ্বিক সরবরাহ বেড়ে যাবে। এমন পরিস্থিতি এশিয়ার স্পট মার্কেটে জ্বালানি পণ্যটির দামে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।
চীন গত বছর মোট ৭ কোটি ৬৬ লাখ ৫০ হাজার টন এলএনজি আমদানি করেছিল। সে সময়ের তুলনায় আমদানি ৬-১১ শতাংশ কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগে দেয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল, বেইজিংয়ের অর্থনৈতিক প্রণোদনা ব্যবস্থার কারণে শিল্প খাতে চাহিদা বাড়বে এবং এলএনজি আমদানি সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছবে।
রিস্ট্যাড, কেপলার ও আইসিআইএসের বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, শিল্প খাতে দুর্বল প্রবৃদ্ধি ও হালকা শীত মৌসুম চীনের সামগ্রিক প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারে প্রভাব ফেলেছে। ক্রেতারা এখন তুলনামূলক সস্তা উৎস থেকে আনা অথবা পাইপলাইনের মাধ্যমে আমদানীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসকেই বেছে নিচ্ছেন।
চীনের কাস্টমস ডাটা অনুযায়ী, ২০২৫ সালের প্রথম চার মাসে দেশটির এলএনজি আমদানি নেমে এসেছে দুই কোটি টনে, আগের বছরের একই সময় যা ছিল ২ কোটি ৯০ লাখ টন।